উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশনের কারণ , লক্ষণ, প্রতিকার ও প্রতিরোধ

বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ আমরা দেখে থাকি তারা উচ্চ রক্তচাপ, হাইপারটেনশন রোগে ভুগছেন। অনেক সময় দেখা যায় অনেকেই বুঝতে পারেন না যে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন এর লক্ষণ গুলো কি কি?? তাই আমরা আপনাদের শরীর ও স্বাস্থ্য উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন দেখা দিলে আপনি কিভাবে বুঝবেন সে লক্ষণগুলো কি সে সম্পর্কে আপনাদের ধারণা দিব। এছাড়াও এর প্রতিকার এবং কীভাবে প্রতিরোধ করবেন এ সম্পর্কে আপনাদের একটি সুষ্ঠু ধারণা দিব।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) বাংলাদেশ একটি জরিপ করেছে সে জরিপে দেখা যায় যে বাংলাদেশের প্রায় 70 ভাগ মানুষ এই উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন ভুগে থাকেন। অনেক ব্যক্তি আছে যারা উচ্চ রক্তচাপ হলে বুঝতে পারেন না। বুঝতে না পারার কারণে শারীরিক অনেক বড় সমস্যার সম্মুক্ষিন এ করতে পারেন। আপনাকে জানিয়ে রাখি অধিক উচ্চ রক্তচাপ হলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা থাকে। তাই সতর্ক ভাবে তারা অবশ্যই উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন হলে নিকটবতী ডাক্তারের কাছে পরামর্শ নিন। এছাড়াও আমরা আপনাদের প্রাথমিকভাবে এই লক্ষণগুলো দেখা গেলে প্রতিকার প্রতিরোধ কিভাবে করবেন সে সম্পর্কে ধারণা দিব। আসুন দেখে নেই এর প্রতিকার ও লক্ষণ গুলো কি।

উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন কারণ

কোন ব্যক্তি যদি তার শরীরের হাইট অনুযায়ী তার ওজন বেড়ে যায় তাহলে উচ্চরক্তচাপ দেখা যেতে পারে। এছাড়াও অনিয়ন্ত্রিত খাবার অর্থাৎ সময়ের খাবার যদি সময় না খেয়ে থাকেন তাহলে এ লক্ষণ দেখা যায়। হাইপারটেনশনের মূল কারণ হচ্ছে আপনি মাত্রা অতিরিক্ত টেনশন করলে হাইপার টেনশন হয়

লক্ষন

সাধারণত উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন এর লক্ষণ গুলো অনেকেই বুঝতে পারেন না। আবার অনেক ব্যক্তি এসব লক্ষণ দেখা যায়। তবে নিচের যে লক্ষণগুলো আছে তার মধ্যে একটি আপনার মধ্যে থাকলে তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন আপনার উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন রয়েছে। আসুন দেখে নেই উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ গুলি।

  • চোখে ঝাপসা দেখা ।
  • বমি হওয়া ।
  • নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া ।
  • নাক দিয়ে রক্ত পড়াণ,
  • এক্ষেত্রে দেরি না করে হাসপাতালে যাওয়া উচিত ।

প্রতিরোধ

উচ্চ রক্তচাপ কোন ব্যক্তির মধ্যে থাকলে। তাকে দ্রুত একটি ভালো ডাক্তার কাছে পরামর্শ নিতে হবে। তারপর ডাক্তার পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে। আপনি যদি এর প্রতিরোধ করতে চান তাহলে আমাদের নিচের কথাগুলো মানতে পারেন। কারণ আমরা বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তথ্য উপর বিশ্লেষণ করেই প্রতিরোধ গুলো আমাদের ওয়েবসাইটে সংযুক্ত করেছি।

  • কাঁচা লবণ খাওয়া কমাতে হবে ।
  • ওজন বেশি হলে কমাতে হবে ।
  • নিয়মিত হাঁটাচলা করতে হবে ।
  • ধূমপান অবশ্যই বন্ধ করতে হবে ।
  • সয়া সস পরিবার করতে হবে
  • অতিরিক্ত মাংস তেলযুক্ত খাবার খেয়ে লুসি আইসক্রিম খাওয়া যাবেনা ।
  • ডিমের কুসুম  ,খাসির মাংস , গরুর মাংস  ,কোলেস্ট্রল বাড়ায় তাই এগুলো খাওয়া থেকে বিরত থাকুন ।
  • চাটনি  ,আচার  ,প্রচুর পরিমাণ তেল থাকে এগুলো পথ পরিহার করতে হবে এগুলো উচ্চ রক্তচাপের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

প্রতিকার

উচ্চ রক্তচাপের প্রতিকার হল প্রাথমিকভাবে আপনাকে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে এবং ওষুধ সেবন করতে হবে। তাছাড়াও যেমনঃ

  • বিকেলে 40 মিনিট করে হেঁটে আসা।
  • অনিয়ন্ত্রিত খাদ্য অভ্যাস থেকে বিরত থাকা
  • গরুর মাংস মিষ্টি জাতীয় জিনিস কম খাওয়া
  • আপনি চাইলে শাকসবজি ফলমূল টমেটো সালাদ সবজি এইগুলো বেশি খেতে হবে।
  • আপনার খাদ্য তালিকায় পটাশিয়ামযুক্ত খাবার সংখ্যা বাড়াতে হবে।

পরিশেষে আমাদের উপরের আলোচনা থেকে আপনারা জানতে পেরেছেন কিভাবে হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপের প্রতিরোধ ও প্রতিকার কিভাবে করবেন। আমরা চেষ্টা করেছি আপনাদের কাছে উচ্চ রক্তচাপের কিছু মূল্যবান তথ্য দিয়ে। আপনাদের ব্যক্তিগতভাবে যদি কোন প্রশ্ন থেকে থাকে তাহলে আমাদের ওয়েবসাইটে নিচে একটি কমেন্ট বক্সে আছে। আপনারা চাইলেই কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করতে পারেন ধন্যবাদ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button