চেচেনদের কেন সবথেকে বিধ্বংসী সেনা বলা হয়-(Chechnya Army History & Military, Equipment)

আপনি কি চেয়েছেন আর্মি সম্পর্কে জানতে চান?? তাহলে এখানে ক্লিক করুন!!আজকে আমরা চেয়েচেন আর্মিদের সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। আমাদের ওয়েবসাইট সঠিক তথ্যের উপর বিশ্লেষণ করে,চেচেন আর্মিদের সকল তথ্য সংযুক্ত করছি,চলছে রাসিয়া ও উক্রিন যুদ্ধ। সারা বিশ্বে প্রতিদিন আতঙ্কে প্রহর গুনছে। এরমধ্যে আল্লাহু আকবার ধ্বনিতে যুদ্ধে নেমেছে এরা কারা। কিবা তাদের ইতিহাস,তাদের আচার-আচরণ ,তাদের ঐতিহ্য এবং তাদের ধর্ম বিশ্বাস।

রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের মধ্যে চেচেনরা রাশিয়াকে সমর্থন এবং রাশিয়ার পক্ষ হয়ে যুদ্ধ করছে। পৃথিবীতে একমাত্র এই চেচেন আর্মিদের বলা হয় রুথলেস আর্মি। এবং তাদের নিয়েই সারা বিশ্ব যত মাথাব্যথা। রাশিয়া যে কারণে বিগত 12 বছরের কোন যুদ্ধে হারেনি তার মূল কারণ হচ্ছে এই চেচেন আর্মি। চেচনিয়া হলো রাশিয়ার মধ্যে থাকা একটি স্বাধীন-সার্বভৌম, কট্টরপন্থী মুসলিম শাসিত অঞ্চল।আর চেচনিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে সম্পূর্ণ লেখাটি পরুন।

সভিয়েত ইউনিয়ন ভাঙ্গার পর এক ডজন নতুন-নতুন দেশকে দেখতে পায় পুর বিশ্ব।তাদের মধ্যে একটি হল চেচনিয়া।যার ইতিহাস অনেক পুরোনো।শোনা যায়,এখানে প্রায় ৪০ এর মত সাহাবিদের সমাধি-স্থল আছে।যার কারনে এই অঞ্চলের মানুষ ইসলাম ধরমের সুরুর কাল থেকেই ইসলামের শাথে যুক্ত আছে।চেচনিয়া হল রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের সাথে থাকা একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র।এই সভিয়েত মুসলমানেরা কালের বিবর্তনে একটি গোষ্ঠী আকারে এই এলাকায় বসবাশ করতে থাকে,যাদেরকে চেচনিইয়া নাম দেওয়া হয়। চেচনিয়া কাগজে কলমে একটি স্বাধীন হলেও মুলত এরা স্বাধীন রাষ্ট্র নয়,এরা মুলত বর্তমানে রাশিয়ার একটি প্রদেশ হিসেবে আছে।

চেচেনদের ধর্ম ও সংখ্যা

চেচনিওরা হল মুস্লিম।তারা ইসলামের প্রাক-কাল থেকেই মুসল্মান।কার হল এখানে ৪০ এর কাছাকাছি সাহাবাদের সমাধী আছে।তারা মুলত কট্টরপন্থী সুন্নী মুসলিম।

চেচনিয়ার জনসংখ্যা ও আয়তন কত?

এর জনসংখ্যা ১২ লক্ষ ৬৮ হাজার ৯৮৯ জন।যার সবাই মুসলিম ।

চেচেনিয়ার স্বাধীনতা :

পূরো রাসিয়াতে একমাত্র চেচনিয়া তেই মুসলমান ছিল।আর তারা ১৯৯৪ সালের দিকে তারা/চেচেনরা,চেচনিয়ার স্বাধীনতার জন্য বিদ্রোহ করে বসে।তারা আর রাশিয়ার সাথে থাকবে না।চেচেনরা এই যুদ্ধে তৎকালীনকার পরা-শক্তি রাশিয়ার সাথে হেরে যায়।কিন্তু তাতেই এই সমস্যার সমাধান আসেনি,কারন এই চেচেনরা বাকি দুনিয়ার মুসলমান দের মত না।এরা যেমন শক্তিশালী তেমনি শিক্ষিত,এদের সাহস দুর্দান্ত,তাদের ঈমান সু-ধীরও,সেই সাথে রনকৌশল আরো মারাত্মক। সর্বশে এরা রূশ মুসলমান .১৯৯৪ সালের ঠিক ৫ বছর পরে ১৯৯৯ সালে আবরও চেচেনরা বিদ্রোহ করে বসে।এই পর্যায়েও তারা সফল হয়না।

তখন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন,সে চেচনিয়ার চলমান সংকট মেটাতে ২০০৩ সালে “আকমত কাদিরব” কে চেচনিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষনা করে,এবং চেচনিয়ার সাথে রাশিয়ার শান্তি-চুক্তি হয়।চেচনিয়া রাশিইয়ার ভিতরেই শান্তিতে থাকবে।চেচনিয়ার সকল দিকে রাশিয়া হস্থক্ষেপ করবে,একজন রাশিয়ান যেভাবে সু্যোগ-সুবিধা নিবে ঠিক সেই ভাবে চেচেনরাও রাশিয়ার কাছ-থেকে সু্যোগ-সুবিধা পাবে,তাদের বাজেড এবং উন্নয়ন বাবদ সকন দায়িত্ব রাশিয়া পালন করবে ঠিক ভারতে কেন্দ্র-সরকার ও রাজ্য-সরকারের মত।

এরপর আবার চেচনিয়াতে নেমে আসে চালো ছায়া,শুরু হয় ক্ষমতার এক জঘন্য লরাই।যাতে চেচনিয়ার প্রেসিডেন্ট “আকমত কাদিরফ”কে ২০০৪ সালে গুপ্ত হত্যা করা হয়।যার মূলে ছিল চেচনিয়ার বিদ্রোহীদল।এরপর চেচনিয়াতে শান্তি ফিরিয়ে যানা জন্য “পুতিন”আবার এক নতুন চাল চালেন ,এবং সাবেক প্রেসিদেন্ত এর ছেলে(বর্তমান চেচেন আর্মির প্রধান)“রমজান কাদিরফ”।যাকে বলা হয় চেচনিয়ার নতুন সময়ের রুপকার,যেকিনা ক্ষমতায় আশার পর চেচনিয়ার সকল মুসলমান বিদ্রোহীদেরকে রাতারাতি গুম করে ফেলে,এবং চেচনিয়ার এক নতুন অধ্যায এর সুচনা করে।

চেচনিইয়া একটি পুরপুরি মুসলিম দেশ,যেখানে ইসলামের সকল বিধিনিষেধ মানা হয়,নারিদের কে পর্দা করতে হয় বাধ্যতামুলক ভাবে।চেচনিয়ার পরতে পরতে মিশে আছে মুসলমানদের ইতিহাস-ঐতিহ্য।দারুন সব মসজিদে ভরপুর চেচনিয়া।তাদের আদি-পুরুষের নীতিও ডালও করে পালন করা হয় এখানে।
পশ্চিমা ও ইয়উরপের এক মহা-সমস্যা হল “সমকামিতা”।রাশিয়াতে শোনা যায় সমকামিতার কারনে মানুষ মারা হয়।যার পোরটাই হয় চেচনিয়া তে।মুলত পূরো রাশিয়েতেই একি অবস্থা।মানে পুতিন সমকামিতাকে শয়তানের কাজের সাথে তুলন করেছে।রমজান কাদিরফ কে বিশ্ব-মানব্ধিকার কর্মীরা প্রশ্ন করলে সে বলে-আমার দেশে কন সমকামি নেই,আর যেখানে কন সমকামি নে সেখানে মানুষ হত্যার কোনো কথাই আশেনা।

রমজান কাদিরভঃ

রমজান কাদিরভ এর জন্ম ১৯৭৬ সালের ৫ই october.সে রাশিয়ার সেন্টারয় তে জন্ম নেয়। রমজান কাদিরফ,পুরো পৃথীবি যাকে রুথলেস আর্মি এর প্রধান হিসেবে জানে ,সে কিন্তু তার দেশের সকল জনগনের নিকট খুব জনপ্রিয়।তার ইন্সট্র-গ্রামে মিলিওন-মিলিওন অনুসারি।তার দেসের জনগনএর ছে তার অনুসারি বেশি।সে তার দেশেকে রাশিয়ার দেয়া টাকায় এমন ভাবে সাজিয়েছে যা এর আগে আর কেও পারেনি।শুধুযে দেশকে সে সাজিয়েছে তাই নয়,তার সকল সক-আল্লাদকেও সে পুরন করে এই রাশিয়ার টাকা দিয়ে।সে চৌকশ,সূচরু,বুধ্বীমান।সে তার আর্মি কে এমন ভাবে সাজিয়েছে যে,তার আর্মির নাম সুনলেই সকলেই ভয় পায়।তাদের ট্রেনিং অসাধারণ,যার কারনে তাদের রুথলেস বলা হয়।রমজানের কাজ হল চেচনিয়াতে শান্তি-সমৃদ্ধি বজায় রাখা,এবং রাশিয়ার আনুগত থাকা.।২০১৭ সালে রমজানকে সারা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে খতরনাক হিসেবে ঘোষোনা করা হয়।তাকে facebook,Youtube থেকে ব্যান্ড করা হয়।তার রাশিয়ার বাহিরে যাবার উপর বিধি-নিষেধ আছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button