ব্রণ উঠার কারণ এবং সমাধান সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

আপনি কি মুখে ব্রণ ওঠা বন্ধ করতে চান? অথবা মুখে ব্রণ কি কারনে উঠে এর প্রতিকার কি? মুখে ব্রণ উঠলে কি পদক্ষেপ নিতে হবে। সে সম্পর্কে যদি জানতে চান তাহলে আমাদের এই পোষ্ট টি আপনার জন্য। আজকে আপনাদের সাথে মুখে ব্রনের ওঠার বিভিন্ন দিক ও করণীয় কি সে সম্পর্কে আলোচনা করব।

মুখে ব্রণ সাধারণত তৈলাক্ত মুখে বেশি উঠে থাকে। এছাড়াও আপনাদের স্কিনের প্রবলেম থাকলে। ব্রণ ওঠে। এজন্য ধুলাবালি মধ্য দিয়ে আসলে। রুমে এসে অবশ্যই মুখ পরিষ্কার করুন। ব্রণ সাধারণত মেয়েদের ত্বকে বেশি দেখা যায়।

ব্রণ কি

ব্রণ সাধারণত মানব ত্বকের একটি বিশেষ অবস্থা। এটি সাধারণত লালচে ত্বক ও তৈলাক্ত ত্বকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে। এমন অবস্থায় আপনাকে অবশ্যই কিছু দিক নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। তাহলে আপনার মুখে ব্রণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। ব্রন মুখে দেখা গেলে বেশি করে পরিষ্কার থাকুন এবং কেমিক্যাল জাতীয় জিনিস মুখে ব্যবহার করবেন না।

ব্রণ কি
ব্রণ কি

গালে ব্রণ উঠার কারণ

গালে ব্রণ ওঠার মূল কারণ হলো ত্বক তৈলাক্ত এবং বাইরে বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া বাতাসের মধ্যে ছড়িয়ে থাকে। এই ব্যাকটেরিয়াগুলো মুখ মন্ডলীতে বসে গেলে। ব্রণের সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই মুখমন্ডলে ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে।

গালে ব্রণ উঠার কারণ
গালে ব্রণ উঠার কারণ

বংশগত কারণ: কিছু মানুষের বংশের ব্রণ ওঠা থাকলে। সে ক্ষেত্রে বলুন উড়তে পারে। তাই এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই স্কিনের ভালো চিকিৎসকের কাছে শরণাপন্ন হতে হবে।

পরিবেশগত কারণে: বাইরে সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি ময়লা এবং দূষণের ফলে ব্রণের সৃষ্টি হতে পারে। মুখে প্রতিষিদ্ধ দিয়ে পরিবেশ দূষণ যে ব্যাকটেরিয়া থাকে এইগুলো মুখমন্ডলে তে ঢুকে যায়।

স্ট্রেস: আপনি যদি কোনো কারণে মানসিকভাবে চাপে থাকেন অথবা রাত জাগেন তাহলে ব্রণের সৃষ্টি হয়।

তৈলাক্ত খাবার: আপনাকে অবশ্যই তৈলাক্ত খাবার থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত পদার্থ, মসলাদার খাবার, চকলেট, বাদাম, চিনিযুক্ত খাবার, ইত্যাদি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে।

নিদৃষ্ট বয়স: সাধারণত বয়সন্ধিকালে কিশোর-কিশোরীদের অতিক্রম করলে তাদের শরীরে হরমোনের পরিবর্তনের ফলে গ্রহণ উঠতে পারে এক্ষেত্রে তৈলাক্ত খাবার গুলো খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

দুর্বল ডায়েট ডাক্তারগণ ব্রণ ওঠার ক্ষেত্রে সব সময় সুষম খাদ্য খেতে বলে। কারণ সুষম খাদ্যের খেলে ব্রণ ওঠা বন্ধ হয়। এবং আপনার শরীরের জন্য ভালো।

ব্রণের প্রতিকার

মুখে ব্রণ উঠলে আপনাকে নির্দিষ্ট সময়ে অব্দি। তৈলাক্ত খাবার খাওয়া যাবেনা। রুমের বাইরে থেকে আসলে মুখ-মন্ডল ধুতে হবে। এছাড়া ব্রণ মুখে উঠে গেলে ভালো কোনো স্কিনের ডাক্তারের কাছে শরণাপন্ন হতে হবে। বিভিন্ন ভিটামিন সি জাতীয় খাবার খেতে হবে। রাতে উচ্চ মানসিক চাপ নেয়া যাবে না। এছাড়া দীর্ঘ রাত পর্যন্ত জেগে থাকা বিরত থাকতে হবে।

ব্রণের প্রতিকার
ব্রণের প্রতিকার

ব্রণের দ্রুত চিকিৎসার সহজ পদক্ষেপ

মধু আপনার মুখে ব্রণ উঠে থাকে তাহলে সেই আক্রান্ত স্থানে মধু লাগানো কারণ মধু ত্বকের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। এছাড়াও মধু অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল কোষগুলো বাধা করতেও নিরাময় করতে সাহায্য করে।

বরফ: আপনার মুখে যদি বরুণ উঠে থাকে তাহলে আক্রান্ত সেই স্থানে বড় দিতে পারেন। এক্ষেত্রে আক্রান্ত তরুণের নিজের কোষগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে। কিন্তু মনে রাখবেন 20 সেকেন্ডের বেশি আক্রান্ত স্থানে বরফ রাখবেন না।

রসুন: ব্যবহার বরুণের আক্রান্ত স্থানে এক কোয়া অথবা দুই কোয়া রসুন ভালোভাবে পিসি বরুণের জায়গাটিতে ঘষে নিন। রসুনের সাইট্রিক এসিড বরুণের কোষগুলো নষ্ট করে দেয়।

শসা: ব্যবহার বরুণের মুখের ত্বকে আক্রান্ত হলে দিনে কয়েকবার শসা ব্যবহার করুন। শসা ত্বকের জন্য অনেক উপকারী একটি উপাদান।

টুথপেস্ট: ব্যবহার রাতে ঘুমানোর সময় তথ্য শের কিছু উপাদান বরুনা লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। কারন তোর পেচে যেসব পদার্থ থাকে এগুলো বরুণের রোধ করতে সাহায্য করে।

আশা করি মুখে বলুন ওঠার সম্পর্কে আপনারা সঠিক এবং গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য জানতে পেরেছেন। তাই আপনার মুখে যদি বরুণ উঠে থাকে তাহলে উপরের পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করুন। আশা করি আপনাদের মুখের ব্রণ উঠলে ভালো হয়ে যাবে। এতক্ষন আমাদের সাথে থাকার জন্য আপনাদের আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button